• ২ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

3rd Wave

দেশ

Omicron: আগামী বছরই আছড়ে পড়বে ওমিক্রনের ঢেউ! পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের

কয়েক মাস আগেই গবেষক-বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, দেশে করোনার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। বছর শেষে সংক্রমণের হার কম থাকলেও, ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ ডেকে আনতে পারে ওমিক্রনই, এমনটাই ধারণা বিজ্ঞানীদের। তাদের দাবি, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই সংক্রমণের নতুন ঢেউ আছড়ে পড়বে।বিজ্ঞানী-গবেষকদের মতে, আমেরিকা ও ব্রিটেনে সংক্রমণ, মৃত্যুহার ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা নিয়ে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তা যদি মিলে যায়, তবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই ভারতে ওমিক্রনের ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। মহামারির সময়কাল গণনার জন্য তৈরি সূত্র মডেল অনুসারেই এই পূর্বাভাস দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই মডেলের আবিস্কারকর্তা মণীন্দ্র আগরওয়াল ও এম বিদ্যাসাগর জানান, আগামী বছরই ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার নতুন একটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। তবে এটি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারবে না, সংক্রমণের হারও সামান্যই হবে।সূত্র মডেলের আবিস্কারকর্তা দুই বিজ্ঞানী বলেন, খুব খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ফেব্রুয়রি মাসে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১.৫ লাখ থেকে ১.৮ লাখ হতে পারে। তাও এটা তখনই সম্ভব, যদি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পূর্ণরূপে টিকা বা পূর্ব সংক্রমণ থেকে তৈরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে ফাঁকি দেয়।যে হারে টিকাপ্রাপ্ত মানুষেরা ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কতটা ফাঁকি দিতে সক্ষম এই ভ্যারিয়েন্ট।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Corona Update: দুয়ারে তৃতীয় ঢেউ? ফের বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক করল কেন্দ্র

মহারাষ্ট্র নয়, করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে কেরলে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কেরলের।গত এক-দেড় মাসে কোনও জেলার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাই ১০০ পেরোয়নি। কিন্তু আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের একবার কলকাতার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা সেঞ্চুরি পার করল। উত্তর ২৪ পরগনার দৈনিক সংক্রমণও ১০০ ছুঁইছুঁই। এই দুই জেলাকে পাল্লা দেওয়ার ইঙ্গিত দেখাচ্ছে দার্জিলিঙের আক্রান্তের সংখ্যাও। বৃহস্পতিবারের কোভিড বুলেটিনে প্রকাশ পেয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭১৭ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এই একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭২৬ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ৯ হাজার ১৬৭। সুস্থতার হার দাঁড়িয়ে ৯৮.২২ শতাংশে। শেষ একদিনে নতুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৪১ হাজার ৪৯৮। পজিটিভিটি রেট কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১.৭৩ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষঅন্যদিকে, রাজেশ ভূষণ আজ বলেন, কেরল এমন একটি রাজ্য যেখানে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ১ লাখ। এছাড়া দেশের অন্যান্য ৪ রাজ্যে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্য়া ১০ হাজার থেকে ১ লাখ। তবে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের ৫১ শতাংশ কেরলের।স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কেরলে টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে হবে, বাড়াতে হবে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং, যারা হোম আইসোলেশনে রয়েছে তাদের উপরে নজরদারি বাড়াতে হবে কারণ কেরলের ৮০ শতাংশেরও বেশি করোনা রোগী রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। দেশের ২৭৯ জেলায় জুনের প্রথম সপ্তাহে ১০০ বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮,০০০ জন। এর অর্ধেক কেরলের হলেও অন্যান্য রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। কেরলের পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের ১৬ শতাংশই মহারাষ্ট্রের।

আগস্ট ২৭, ২০২১
কলকাতা

Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশে লাগু নতুন নিয়ম

এবার থেকে জোড়া করোনা টিকা নিলেই প্রবেশ করা যাবে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালীঘাট টেম্পল কমিটি। করোনা সংক্রমণে তৃতীয় ঢেউ আগামী অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত আকার নিতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এমন পূর্বাভাসই দেওয়ার পরেই, মন্দিরের সেবায়েতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেই মর্মে সোমবার রাতে বৈঠকে বসে তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর জেলা বিচারক চৈতালি দাস চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ তথা টেম্পল কমিটির সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী প্রমুখ। সূত্রের খবর, বৈঠকে আলিপুর জেলা বিচারক মন্দির কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জানতে চান, সরকারি কোভিডবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা। টেম্পল কমিটির কয়েকজন সদস্য জানান, কোভিড সংক্রমণ রুখতে গত এক বছরে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের নিজস্ব তহবিল থেকে যাবতীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে মন্দিরে আসা ভক্তকুলের চাপে বহু ক্ষেত্রেই সেইসব জিনিসের ক্ষতি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রে জীবনযুদ্ধের গল্প নিয়ে শুভেন্দুপ্রসঙ্গত, কালীঘাট মন্দির পরিচালনার প্রশাসনিক দায়িত্ব আলিপুর জেলা বিচারকের হাতে। তাই তিনি এই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যেই ২২ জুন খুলে দেওয়া হয়েছিল কালীঘাট মন্দিরের দরজা। ২১ জুন কালীঘাট টেম্পল কমিটির সিদ্ধান্ত নেয়, সকাল ছটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দির। পরে বিকেল চারটে থেকে ছটা পর্যন্ত খোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু, তখনও মন্দিরের গর্ভগৃহে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিল কমিটি। সংক্রমণের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে মন্দিরের প্রশাসনিক তথা পুজো সংক্রান্ত কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জোড়া টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা জোড়া টিকা নেবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সরকারি কোভিডবিধি যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখে চলতে হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

পুজোর পরই খুলবে স্কুল। তবে যদি কোভিড পরিস্থিতি আরও খারাপ না হয়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, এ রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সংক্রমণ ১ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে আজ ঠিক থাকলেও আগামিকাল কী হবে তা নিয়ে এ ভাবে বলা সম্ভব নয়। সব ঠিকঠাক থাকলে ভাইফোঁটার পরই রাজ্যে স্কুল খোলা হবে বলে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।আদিবাসী উন্নয়নের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্রাইবাল অ্যাডভাইসরি কাউন্সিল তৈরি করেছিলেন। সোমবার ছিল সেই পর্ষদের প্রথম বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৫০০ সাঁওতালি স্কুলে অলচিকি হরফে পড়ানো হবে। ২০০ টি রাজবংশী স্কুল, ২টি কামতাপুরি স্কুলও হচ্ছে। এছাড়াও কুর্মি, হিন্দি, গোর্খা, নেপালি সমস্ত ভাষায় নতুন নতুন স্কুল আগামী দিন সিলেবাস তৈরি হওয়ার পর পড়ানো হবে। এটা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা ছিল।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবএরপরই স্কুল খোলা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুজোর পরই স্কুল খুলবে রাজ্যে। আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। পুরো স্কুল স্যানিটাইজ করে তারপর তা খোলা হবে। তবে তা হবে যদি তৃতীয় ঢেউ না আসে। তৃতীয় ঢেউ যদি ভয়ঙ্কর না হয়। এটা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। এখন বাংলার অবস্থা ঠিকই আছে। ১ শতাংশের আশেপাশে সংক্রমণ। তবে আমরা চাই সকলে ভাল থাকুন। কিন্তু মহারাষ্ট্র, কেরলে যে ভাবে প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়ছে, জানি না কাল কী হবে। আজ বলতে পারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।চলতি মাসের শুরুতেই করোনা মোকাবিলায় গঠিত গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডের প্রধান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে সেই বৈঠকে আলোচনা হয়। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পুজোর পরই রাজ্যে স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। কোভিড পরিস্থিতি যদি ঠিক থাকে, তবে পুজোর ছুটির পরই একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলি খোলা হতে পারে বলে জানান তিনি।আরও পড়ুনঃ বিজেপিকে ভোট, অনাহারে মালদার ৫ হাজার জলবন্দি মানুষ যদিও সোমবার সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের তরফ থেকে এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে পিএমওতে। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অক্টোবরেই চরম আকার ধারণ করতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। শিশুদের ক্ষেত্রে যে সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি থাকবে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। কেরল, মহারাষ্ট্রের ছবিটা নতুন করে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে আবার উৎসবের মরশুম। স্বভাবতই বহু মানুষের জমায়েত নতুন করে উদ্বেগের কারণ হতে পারে। এই অবস্থায় আদৌ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভবপর কি না তা তো সময়ই বলবে। আর পরিস্থিতির উপরই নির্ভর করে রাজ্যে স্কুল খোলা হবে এদিন আরও একবার জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Corona 3rd wave: অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!

উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ্যে আনল এনআইডিএম। অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ শিখর ছুঁতে পারে। এই বার প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গঠিত বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি রিপোর্ট দিয়ে জানাল এ কথা। আরও পড়ুনঃ বিনিসুতোয়-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণারিপোর্টে বলা হল, দেশে ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়েছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে আর ভ্যালু ১-এর উপর উঠে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এক জন সংক্রমিতের থেকে কত জন আক্রান্ত হচ্ছেন, তা বোঝানো হয় এই আর ভ্যালু দিয়ে।কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে আরও সতর্ক হয়ে আসন্ন ঢেউয়ের মোকাবিলা করা হয়, তার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট বলছে, তৃতীয় ঢেউয়ের সময়ে বিপুল সংখ্যক শিশু সংক্রমিত হলে তাদের চিকিৎসার জন্য যত সংখ্যক চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই দেশে। এই বিষয়টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞদের ওই কমিটি।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকএই রিপোর্ট সামনে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মধ্যে। কারণ, অক্টোবর থেকেই বাংলায় পুজোর মরশুম হচ্ছে।তার মধ্যেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া এবং তা শিখর ছোঁয়ায় পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

3rd Wave warning: আগামী ১২৫ দিনের জন্য সতর্কতা জারি কেন্দ্রের

করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। আগামী ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্কবার্তা জারি করল কেন্দ্র।কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও ভারতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। সেই কারণেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভিকে পল জানিয়েছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকাতে স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারতিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি এখনও দেশে আসেনি। এখনও নানা জায়গায় সংক্রমণ নজরে পড়ছে। কিন্তু সেই সংক্রমণ আমাদের আটকাতে হবে। সেই কারণেই নিরাপদে থাকা বিশেষ জরুরি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের সামনে আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক দেশের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দেশের প্রধানমন্ত্রীও তা নিয়ে সতর্ক করেছেন। অন্যদেশের পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব আরও বলেন, আমাদের প্রতিবেশী একাধিক দেশ, যেমন মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও বড় আকার ধারণ করেছে। এমনকী, মাস্ক ব্যবহারে উদাসিনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। লকডাউনের পরবর্তীতে দেশে মাস্ক ব্যবহার না করার প্রবণতাও ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
দেশ

Modi: করোনাবিধি নিয়ে দেশবাসীর উদাসিনতায় উদ্বেগ প্রকাশ মোদির

দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা একটু স্থিমিত হয়ে আসতেই মানুষ অতি উৎসাহে করোনাবিধি উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়েছেন বাইরে। হইহই করে চলছে পার্টি, খাওয়াদাওয়া, বাজার করা ও ঘুরে বেড়ানো। যা দেখে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি শৈলশহরে পর্যটকদের করোনাবিধি উপেক্ষা করে মজা করতে দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার নানা ভিডিওতে। তারমধ্যেই আইএমএ-র সতর্কবার্তাও এসে গিয়েছে তৃতীয় ঢেউ নিয়ে। এরপরই উত্তর-পূর্বের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এদিন মোদি। বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগও প্রকাশ করেন। আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেতিনি বলেন, কোভিডের জেরে পর্যটন এবং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখের সঙ্গে এটাও জানাতে হচ্ছে যে ভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ শৈলশহরে যাচ্ছেন, বাজারে মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেটা ঠিক হচ্ছে না।মঙ্গলবারই উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পর্যটকরা যাতে কোভিডবিধি মেনে চলেন, জমায়েত না করেন সে বিষয়ে রাজ্যগুলিকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ এ মাসেইভাইরাস নিজে থেকে যায়-আসে না। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে মানুষই এই ভাইরাস বয়ে আনছে। যা কোনও ভাবেই কাম্য নয় বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বিশেষজ্ঞরা বার বারই সতর্ক করছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে, জমায়েত না করতে। ভিড় রুখতে তাই দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত। একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, কোভিডের তৃতীয় ঢেউ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত।

জুলাই ১৩, ২০২১
দেশ

Corona 3rd Wave: অনিবার্য তৃতীয় ঢেউ, সতর্ক করল আইএমএ

অতিমারির তৃতীয় ঢেউ কেউ আটকাতে পারবে না। তা অনিবার্য। এমনই আশঙ্কার বাণী শোনাল আইএমএ (ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন)। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনকে আরও কড়া পদক্ষেপ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এই মর্মে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির কাছে আবেদন করেছে চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। এই সংকটময় পরিস্থিতিতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রশাসন এবং জনসাধারণের তরফে যে অসতর্কতার ছবি উঠে আসছে, তা নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেছে চিকিৎসকদের এই সংগঠন।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে না খেললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ইস্টবেঙ্গলকেসোমবার একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে আইএমএ জানিয়েছে, গোটা বিশ্বের পরিস্থিতি এবং অতিমারির ইতিহাস ঘাঁটলেই দেখা যাবে, কোভিডের তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য। তা কেউ আটকাতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এমন বহু ছবি উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, কোভিডবিধি না মেনেই রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সে ব্যাপারে কোনওরকম সরকারি পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।আইএমএ-র তরফে ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলা হয়, ঘুরতে যাওয়া, তীর্থযাত্রা, ধর্মীয় সমাবেশ সবই জরুরি। কিন্তু এ সবের জন্য আর কয়েকটি মাস অপেক্ষা করাই যায়। টিকাকরণ ছাড়াই জনসমাবেশে অনুমতি দেওয়া হলে তা তৃতীয় ঢেউকে নিশ্চিতভাবে ত্বরাণ্বিত করবে। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই তা আছড়ে পড়বে। এই সময়ে আমাদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি।আরও পড়ুনঃ হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান আইএমএ-র এই সতর্কবার্তার পর সাধারণের মনে এমনিতেই আরও আতঙ্কের সৃষ্টি হবে। কারণ, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে টিকাকরণের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। তারওপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে করোনাবিধিকে ডোন্ট কেয়ার করে মানুষের মধ্যে বেরিয়ে পড়ার ঝোকও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে, অবিলম্বে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপগ্রহণ না হলে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা ফিরে আসা অপেক্ষামাত্র হয়ে দাঁড়াবে।

জুলাই ১২, ২০২১
স্বাস্থ্য

COVID: করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি, এবার নিস্তার নেই শিশুদেরও , বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রায় অন্তিম লগ্নে ভারত পৌছে গেছে। সরকারি হিসাবে এখনও অবধি প্রথম ঢেউ ও দ্বিতীয় ঢেউ মিলিয়ে ৩,৮৮,১৩৫ জনের কোভিড মহামারীতে মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি মানুষ আক্রান্ত এই অতিমারী তে। চিকিৎসা মহলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আগাম সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি উদাসীনতা থাকায় এর ধাক্কায় বেসামাল সারা দেশ। অক্সিজেন, সেফ হোম, ভেন্টিলেটর, পর্যাপ্ত বেডসহ সব কিছুতেই যেন একটা নেই নেই রব উঠেছিল।দ্বিতীয় ঢেউয়ের অতিমারি পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম, সমাজসেবী সংগঠন, চিকিৎসক মহলের তরফ থেকে এখনই তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কনিয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম বন্দর পরিচালিত গোল্ডেন জুবিলি হাসপাতাল কতৃপক্ষ তৃতীয় ঢেউয়ের থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু সতর্ক বার্তা প্রচার করছেন। বার্তায় প্রধানত শিশুদের নিয়েই কিছু নির্দেশিকা পালন করার কথা বলা হয়েছে। কিছুদিন ধরেই তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার এক সম্ভবনা কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যারফলে মানুষের মধ্যে নয়া আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকেই এই নির্দেশিকা জারি বলে মনে করা হচ্ছে।কি করবেন কি করবেন না (২০ বছর অবধি)১। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাচ্ছাদের বাইরে বেরতে দেবেন না।২। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ি যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।৩। কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে বাচ্ছাদের নিয়ে যাবেন না।৪। দিনে দুবার পরিষ্কার করে সাবান দিয়ে স্নান করান।৫। নিয়মিত ব্যবধানে হাত সাবান দিয়ে ধোয়ান বা স্যানিটাইজ করান। ৬। অপরিস্কার হাত চোখে ও মুখে দিতে দেবেন না।৭। বয়স্করাও বাইরে থেকে ফিরে নিজেদের স্যানিটাইজ না করে বাচ্ছাদের কাছে আসবেন না।৮। ইলেক্ট্রনিক্স গ্যাজেটস যেমন মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, হেডফোন ও খেলার সরঞ্জাম নিয়মিত স্যানিটাইজ করুন।৯। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হালকা রোদে বাচ্ছাদের খেলতে নিয়ে যান। ১০। স্নানঘর ও বাড়ি প্রতিদিন স্যানিটাইজ করুন।১১। নির্দিষ্ট দিন অন্তর মাথার বালিস ও তার কভার কাচতে দিন।১২। গরম জলে গার্গেল করান।১৩। সকলের দাঁত মাজার ব্রাশ পৃথক রাখুন।১৪। একান্তই বাইরে বেরলে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন, মাস্ক পড়ুন, হাত স্যানিটাইজ করুন।১৫। বাচ্ছাদের সাথে করমর্দণ, চুম্বন ও আলিঙ্গন করবেন না।বাচ্ছাদের খাওয়া দাওয়া সংক্রান্ত কিছু উপদেশ দেওয়া হয়েছে হাসপাতালের তরফেঃ১। বেশী মাত্রায় প্রোটিন ডায়েট দেওয়া উচিত ক। দিনে দূটি ডিম। খ। সিদ্ধ ডাল যেমন- ছোলা, সবুজ ছোলা, রাজমা, মটরশুঁটি গ। ১০০ মিলি দুধ প্রত্যেকদিন। ২। টাটকা সব্জি, আমলকী, লেবু, মরসুমি সব্জি, শুকনো ফল (আমন্ড, কাজু, পেস্তা, আখরোট, কিসমিস, খেজুর)। এগুলি রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ৩। বাড়ির রান্না খাবারই খান।৪। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন, জাঙ্ক ফুড খাবেন না।লক্ষণ দেখে প্রাথমিক স্তরেই রোগের পরীক্ষা করুন ও চিকিৎসা করান। লক্ষণগুলি হলঃ১। জ্বর ও মাথা যন্ত্রণা।২। গায়ে, হাতে ও পায়ে ব্যাথা।৩। গলায় ব্যাথা।৪। শুকনো কাশি৫। ক্ষুদা-মন্দ, দুর্বলতা।৬। পাতলা পায়খানা।৭। ঘাড়ে ও চোখে যন্ত্রণা।৮। আরও কিছু শারীরিক অস্বস্থি।এই ধরনের কিছু অসুবিধা বুঝতে পারলেই চিকিৎসকের কাছে যান, পরীক্ষা করান, রোগ নির্ণয় হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চিকিৎসা শুরু করে দিন। প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয় হলে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভবনা অনেক বেশী।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal